বন্ধু আবুল কালাম আজাদের পক্স উঠেছে। বাসা থেকে বের হয়না। সারাদিন ন্যুড হয়ে কোমড়ের উপর গামছা রেখে উপুড় হয়ে শুয়ে থাকে। এটা আমাকে সে বলেনি। আমাদের বাসার দারোয়ান বলেছে। দারোয়ানের সাথে তার বাসার বুয়ার স্কাইপিতে কথা হয়। সারারাত ভিডিও চ্যাট করে তারা। বুয়া এ ঘর থেকে ও ঘর যায়। তখনই সিদ্দিক ভিডিওতে ব্যাপারটা লক্ষ্য করেছে…

সিদ্দিকের কাছে বিষয়টা জানতে পেরে আমি আবুল কালাম আজাদকে টেলিফোন করলাম…

– আজাদ কি খবর?
– আলহামদুলিল্লাহ ভালো
– মেথ্যা কথা
– মানে কি
– ভালো থাকলে কেউ গামছা থেকে কোমড়ের নিচতলা ঢেকে উপর হয়ে শুয়ে থাকে?
– তুমি কি করে জানলে? স্ট্রেঞ্জ !
– তোমার ফোনের ক্যামেরা হ্যাক করে দেখেছি।

আমার ধারণা এ কথা শুনে সে ভয় পেয়ে বালিশ দিয়ে শরীর ঢেকে ফেলেছে হাহাহা…

– আবুল কালাম আজাদ?
– শুনছি, কি বলবে বলো।
– কি হয়েছে তোমার?
– পক্স উঠেছে।
– কয়টা?
– গুণে দেখেছি নাকি?
– গুণে দেখবেনা? বোকা নাকি তুমি?
– গুণতে হবে কেনো?
– তোমার যদি চল্লিশটার উপরে পক্স হয়, তাহলে বুঝবে তুমি বাঁচবেনা। আর যদি চল্লিশটার নিচে হয়, তাহলে বাঁচবে। তবে একটা গোপন শক্তি আছে, ওটা কমে যাবে।
– বলো কি !
– হ্যাঁ। তুমি ক্যামেরা চালু করে পেছন দিকটা ভিডিও করে আমার ফোনে পাঠাও। সামনের দিকটা তো আয়নার সামনে গিয়ে নিজেই গুণতে পারবে।
– ওকে ওকে আমি এক্ষুণি পাঠাচ্ছি।
– সিদ্দিকের ফোনে পাঠিও। আমি ওর ফোনে হোয়াটসাপ চালাচ্ছি।
– ওকে ওকে পাঠাচ্ছি।

আবুল কালাম আজাদকে বলদ বানাইলাম। মাথামোটা পশুটা এখন ভিডিও করে পাঠালেই হয়। সিদ্দিক এটা নিজদায়িত্বে ব্লুটুথের মাধ্যমে পুরো এলাকায় ভাইরাল করে দিবে হাহাহা…

ধার দিবিনা? এখন দেখ কি করি 🦶🏼

Comments

comments