ইকবালের দোকানের সামনে একটা মালটোভা কালারের কুকুর লেজ বিছিয়ে শুয়ে আছে। এরকম বোকাচোদা কুকুর আমি আগে দেখিনি। গাধার বাচ্চাটার এইটুকু কমনসেন্স নেই যে, এই বাসাবাড়ি না, এইটা রাজপথ। মানুষ এখানে হাঁটাচলা করে…

ওর লেজে পাড়া লাগলে যেকোনো মানুষ পা পিছলে পরে যাবে। তাই আমি মুজিবুর ভাইয়ের ফুলের দোকান থেকে কেচি এনে শূয়রের বাচ্চাটার লেজ কেটে দিলাম। কেচির আওয়াজে তার ঘুম ভেঙে গেলো। কুঁই কুঁই করে লাফাতে লাফাতে শালা মহল্লার ভেতর চলে গেলো হাহাহা…

অফিসের সামনে প্রায় চলে এসেছি। আগেই বলেছি, আমাকে দেখতে জমিদারের মত লাগে। চেহারায় একটা প্রিন্স প্রিন্স ভাব আছে। এজন্যই হয়ত একদল বেদের মেয়ে জোছনা’রা এসে আমার পথ রোধ করলো। একজন আমাকে বললো, টেকা দে…

আমি তাকে বললাম, অপরিচিত মানুষকে আপনি করে বলতে হয়। বাসায় শেখোনি? 🙂

পাশ থেকে আরেক বেদের মেয়ে জোছনা এসে বললো, টেকা দে…

আমি তাকে বললাম, “চোখ উঠেছে। পোস্ট পড়তে পারিনা”

এ কথা বলার পর আমার মনে হলো, আরেহ ! এটা তো ফেসবুক নয়। এরা তো আমার সাথে সামনাসামনি কথা বলছে !

আমি কিছু বলার আগেই বেদের মোটা মেয়ে জোসনা আমার সামনে এসে দাঁড়ালো। হাতে টিফিন বাটি। বাটির ঢাকনা খুলে সে একটা চিকন সাপ বের করে আনলো। সাপটা আমার মুখের সামনে ধরে বললো, “টেকা দে। নাইলে সাপে কামড় দিবো”।

সাপের মাংস আমার ভালো লাগে। আমি তাকে বললাম, “সাপটা আমারে দিয়ে দে। এটা বাসায় নিয়ে পালবো। তোরা সাপেরে কি খাওয়াস? এত শুকনা ক্যান?”

বেদের মেয়ে জোছনাদের গ্রুপ আর কথা বাড়ালোনা। আমাকে ছেড়ে অন্য পথচারীদের দিকে মনযোগ দিলো। ওদের কাছে এখন বোধহয় আমাকে আর প্রিন্স লাগছেনা। চোরের মত লাগছে…

মোবাইলে শামসুল আরেফিনের একটা মিমস ছিলো। মিমটা বের করে আমি তাদের দিকে ফোনের স্ক্রিন ধরে রাখলাম। ব্রাইটনেসও বাড়িয়ে দিলাম। যাতে তারা মিমসের উপরের লেখাটা বুঝতে পারে –

“AMAKE KI CHORER MOTON LAGE?”

Comments

comments