“রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকার একটি মেসে ইফতারের সময় আমের বাড়া খাওয়া নিয়ে সংক্ষর্ষে আহত হয়েছে ওই মেসের তিন সদস্য। এ ঘটনায় বাড়িওয়ালাও পিঠে সামান্য চোট পেয়েছে।

ঘটনার সুত্রপাত হয়, যখন ওই মেসের মিজান নামে এক সদস্য ফজলুর দোকান থেকে চুরি একটি আম নিয়ে আসে। মেসের অপর দুই মেম্বার রাসেল ও গিয়াসউদ্দীন এমন ভাব করে, যেনো তারা জানেই না এই মৌসুমে আম হয়। তারা আম খাওয়ার প্রতি বেশ অনিহা দেখায়। মিজান খুশি মনে আম কেটে এনে ইফতারের ডালা সাজায়। কিন্তু ইফতারের সময় তারা দুজন বলে ওঠে, “আম খাবোনা বলেছি কিন্তু বাড়া খাবোনা তা তো বলি নাই” !

এরপর তারা আমের বাড়া নিয়ে মারামারিতে লিপ্ত হয়। এবং একে অপরকে কাঁধে তুলে আছাড় দেয়। উপরের ফ্লোরে ধিপধাপ আওয়াজ শুনে বাড়িওয়ালা উপরে এসে দেখে তারার মারামারি করছে। বাড়িওয়ালা তাদেরকে থামাতে চাইলে মেস মেম্বাররা তিনজন মিলে বাড়িওয়ালাকেও কাঁধে তুলে আছাড় দেয়।”

চ্যানেল ঢাকা নামক এক সারকাস্টিক পোর্টালে এই নিউজটা পড়লাম। সিদ্দিককেও পড়ে শোনালাম। তারপর থেকে সে আর আম গাছের ধারেকাছেও যাচ্ছেনা…

আগেই বলেছি, বাসার ছাদে আমি নানান রকম গাছ চাষ করি। যাক, ভালো হয়েছে। মিথ্যা খবর পড়ায়ে আমগুলোকে চোরের হাত থেকে বাঁচানো গেলো 🙂

Comments

comments