বৃষ্টির সময় একটা অদ্ভুত ব্যাপার ঘটে। এসময় কারোই আলোর মধ্যে থাকতে ভালো লাগে না। বেশিরভাগ মানুষই এই সময়টা অন্ধকারে থাকতে পছন্দ করে। বৃষ্টির আগে পরের পরিবেশটাই বোধহয় এমন। অন্ধক‍ারে ঝিমানোর মত…

 

অন্ধকারে বসে বই পড়ার কোনো ব্যবস্থা থাকলে ভালো হত। অতিরিক্ত অন্ধকারের জন্য বই পড়া যাচ্ছেনা। ব্যাপারটা বিরক্তিকর হলেও উপভোগ্য। ঘরে আরেকজন মানুষ অথবা কিছু জোনাকি পোকা থাকা উচিত ছিলো। এত সুন্দর পরিবেশে এই মুহূর্তে ওয়াশরুমে ট্যাপের নিচে গিয়ে মাথা ভেজাতে মন চাচ্ছেনা। বিছানায় শুয়ে মাথায় পানি দেয়া দরকার। আরেকজন মানুষ থাকলে তাকে দিয়ে কাজটা করানো যেত। অথবা সে নিজ থেকেই করে দিত…

 

আর জোনাকি পোকাগুলো বইয়ের উপর এসে উড়াউড়ি করতো। তাদের দেহ থেকে বিচ্ছুরিত লুসিফারিন নামক পদার্থ অক্সিজেনের ছোঁয়া পেলে আলো উৎপন্ন করতো। সেই আলোয় বইটা কোনোরকমে পড়া যেত…

 

(লেখাটার জন্য কোনো শিরোনাম খুঁজে পাওয়া গেলো না। হাতের কাছে হুমায়ূন আহমেদ স্যারের একটা বই আছে – জীবনকৃষ্ণ মেমোরিয়াল হাই স্কুল। অনুমতি ছাড়াই নামটা চুরি করলাম)

Comments

comments