– এলিটা তুমি আগে বেশ ভালো চা বানাতে

– আচ্ছা

– ইদানিং চায়ে চিনি কম হচ্ছে

– চিনির জারে পিঁপড়া ধরেছে

– তুমি পিঁপড়া ভয় পাও?

– ভয় পাওয়া কি উচিত না?

– মানুষের পিঁপড়াভীতি থাকা উচিত নয়

– ভুল হয়েছে

– না। পিঁপড়াগুলোর প্রাণ বেঁচেছে। জীবহত্যা মহাপাপ।

 

কাপে চুমুক দিতে গিয়ে চায়ে একটা ভাসন্ত পিঁপড়া পাওয়া গেলো। পিঁপড়াটা এখনো জীবিত আছে। উল্টো হয়ে শুয়ে হাত পা ছুঁড়ছে ! এলিটা তাহলে মিথ্যা বলেছে…

 

– তুমি বলেছিলে চায়ে চিনি দাওনি।

– আমি বলেছি চিনির জারে পিঁপড়া ধরেছে।

– চিনি দিয়েছিলে তাহলে?

– অবশ্যই চিনি দিয়েছি। তুমি চিনি পছন্দ করো। শুনেছি তুমি ছোটবেলায় হাতের তালুতে চিনি রেখে চেটে চেটে খেতে।

 

শুভ্র ভয়ানক রেগে গেলো। মেয়েটা জীবহত্যা করে বড় বড় কথা বলে যাচ্ছে। ওর মুখে কাপ থেকে চা ছুঁড়ে মারা উচিত। বাজার থেকে টি-ব্যাগ আনা হয়েছিল। অবশ্যই চা পাতায় কেমিক্যাল উপস্থিত আছে। মুখে ছুঁড়লে এসিডের মত কাজ করতে পারে…

 

চায়ের কাপ হাতে নিয়ে এলিটার মুখের দিকে ছুঁড়তে যাচ্ছিলো শুভ্র। চায়ে এখন আরো অনেকগুলো পিঁপড়া ভেসে উঠেছে। হতাশ হয়ে কাপটা টেবিলের উপর রেখে দরজা খুলে বেরিয়ে গেলো সে ! গন্তব্য মনসুরের চা দোকান…

Comments

comments