রুম অন্ধকার। নাম্বারটা বোধহয় ৩১৪। এই মূহুর্তে নিশ্চিতভাবে সেটা বলা যাচ্ছেনা। আমি কোনো ওয়ান ম্যান আর্মির সদস্য নই। সেরকম কেউ হলে সাথে অবশ্যই নাইটভিশন গ্লাস থাকত। বাতাসের অনুপস্থিতিতে শূণ্যতার এয়ারপোর্টে ল্যান্ড করা বায়োম্যাসড গ্রিন লিকুইডের মত নাইটভিশনের লাইট গ্রিন ভিউতে গাড় অন্ধকারের মধ্যেও চারহাত দুরের দেয়ালে ঝুলতে থাকা ক্যালেন্ডারের ছোট ডিজিটগুলো দেখা যায়। চাবির রিংয়ে লেখা ডিজিটগুলো তুলনামুলকভাবে আরো বড় হয়। দেয়ালে বসে থাকা টিকটিকি গুলোকে কুমির ভেবে গুলি করে দেয়া যায়…

অন্ধকারে দেখতে না পারাটাকে একধরণের অজ্ঞতা মনে হচ্ছে আমার কাছে। যদিও এটা ব্যাপার নাহ। ছোটবেলা থেকেই অনেক কিছু দেখেও না দেখার ভান করে থেকেছি। ওপাশের জানালায় চলমান ছায়া, দরজার ম্যাগনিফাইং গ্লাসে কারো সিড়ি বেয়ে উপরে উঠা, ডিরেক্ট কল হয়ে সাইলেন্ট মুডের ফোনে আসা কয়েকটা মিসড কল, সাথে আরো কিছু etc etc…

হারতে না শেখা মানুষগুলো আজকাল হারিয়ে যাচ্ছে। হারতে না চাওয়া মানুষগুলো হেরে যাওয়া শিখছে। দুইপক্ষই একজন আরেকজনের দ্বারা আক্রান্ত…

আর এভাবে দুনিয়াটাও বেশ ভালোই চলছে। নির্জনে নিভৃতে, সেই একই নিয়মে। এমনকি আমরাও…

ভালো চলছে না?

Comments

comments