সকাল সকাল দারোয়ান সিদ্দিকের ছেলে আসছে। আমি বাজারের লিস্ট নিয়ে নিচে নেমে দেখি দুই হারামজাদা মিলে টোস্ট বিস্কুট খাচ্ছে। মেজাজটাই গরম হয়ে গেলো। নিজেকে কন্ট্রোল করে সিদ্দিককে ডেকে বললাম, “কুত্তার বাচ্চা বাজারে যা। শুধু যাবি আর আসবি। একটা মিনিট কোথাও দেরি করবি না। নাইলে কিন্তু তোর বুকের উপর উইঠা নাচবো।”

আমার কথা শেষ হতে না হতেই হারামজাদা তার ছেলেকে আমার বাসায় এনে ফ্যানের নিচে কিছুক্ষণ বসানোর অনুরোধ করলো। বাইরে নাকি রোদ…

আমি ওরে বুঝায়ে বললাম, দেখ তোর পোলা তো এমনেই কালো। ওই রোদে পুড়লেই কি হবে !! আর ওরে এসিড মারলেই বা কি হবে? রোদেই বসে থাকুক…

এরপর সিদ্দিক মন খারাপ করার ভং ধরে বাজার করতে চলে গেলো। আমি কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করে উপরে চলে আসতে নিলাম। ঠিক এমন সময় খেয়াল করলাম, সিদ্দিকের কাইল্যা ছেলেটা আমার দিকে চোখ বড়বড় করে তাকিয়ে আছে। ওর চোখেমুখে ঠিক যেনো হায়েনার দৃষ্টি…

ওর তাকানোর ভঙ্গিটাই আমি আর সহ্য করতে পারলাম না। ফ্রিজ থেকে আস্তা লাউ টা বের করে এনে ওর পিঠে লাউ দিয়ে বাইরানো শুরু করলাম। আমি লক্ষ্য করলাম, মার খাওয়ার এক পর্যায়ে হারামজাদা নিগ্রোটা খামচি মেরে লাউ ফুটা করে ফেলছে। এরপর আমি ওর থোতা বরাবর লাউয়ের নিচতলা দিয়ে ঘুষি মারার স্টাইলে আঘাত করলে লাউটি পুরোপুরি অকেজো হয়ে যায়। বা খাবার অযোগ্য হয়ে যায়।

পিচ্চি অজ্ঞান হয়ে বাড়ির সামনে মেইনগেটের ভেতরই ফ্লোরে পড়ে রইলো। নির্ঘাত ভং ধরসে।

আমি রুমে ফিরে এসে উপর থেকে ফ্রিজের ঠান্ডা পানি তার গা বরাবর ঢেলে দেখেছি। শালা লড়ে চড়েনা। একদম বাপের মত হইসে। ভালোই ভং ধরতে পারে। কালো জানোয়ার…

যত্তসব !

Comments

comments