মুড়ির ঠোঙ্গাটা এগিয়ে দিয়ে বললাম, মামা একটু বিটলবণ ছিটায় দাও। ঝালমুড়িওয়ালা আমার মুখের সামনে বিটলবণের বোতল ধরে ঝাকি দিলো। লবণ আমার নাকে মুখে গিয়ে ঢুকলো। আমি হাঁচি দিতে দিতে বিধ্বস্ত হয়ে রাস্তায় শুয়ে পরলাম। ঝালমুড়িওয়ালা হাত তালি দিয়ে হাসছে। দুই মহিলা এসে আমাকে ধরাধরি করে রিকশায় উঠিয়ে দিলো। এখন রিকশায় আছি। বাসার পথে রওনা হয়েছি…

রিকশাওয়ালা প্যাডেল মারতে মারতে পিছন দিকে পা উচিয়ে আমাকে একটি লাথি দিলো। ঘটনার আকস্মিকতায় আমি বাকরুদ্ধ।আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম –

– বন্ধু লাথি দিলে কেনো? আমি কি ভাড়া দিবো না?
– প্যাডেল থেকে পা স্লিপ খেয়ে লাথি লেগেছে।
– তুমি বলতে চাচ্ছো মিসটেক হয়েছে?
– হ
– তাহলে বন্ধু তুমি রিকশা থামাও। আমি তোমার রিকশার সামনে শুয়ে পরি। আমার বুকের উপর দিয়ে রিকশা চালিয়ে যাও। পুরুষ মানুষ। সমতল ভূমি। ঝাঁকি খাবেনা।

রিকশাওয়ালা আমার দিকে হা করে তাকিয়ে রইলো। আমি আমার হাতে থাকা পোতানো ঝালমুড়ি তার মুখে ঠোঙ্গা সহ ঢুকিয়ে দিলাম।

সে এখন খাচ্ছে…

Comments

comments