চারতলার হিন্দু ভাড়াটিয়া জগদিশের ছেলে দেবাশিষ একজন নাস্তিক। সে বিশ্বাস করে ধর্ম যার যার, প্রসাদ বাতাসা সবার। ছোটবেলা থেকেই জানোয়ারটা ঈদের দিন ঈদগাহের আশেপাশে এলাকার অন্যান্য মুসলিম বাচ্চাদের সাথে ঘুরঘুর করত। মুরব্বিদের সালাম করে সালামির টাকা তুলত। তার প্রতারণার ফাঁদে অনেকেই পা দিত। এসব নিয়ে আমারও কখনো কোনো সমস্যা ছিলো না। আমারো একই কথা, ধর্ম যার যার, প্রসাদ বাতাসা সবার…

সমস্যা হচ্ছে, জানোয়ারটার নামে বিচার আসছে, সে নাকি পাশের বিল্ডিংয়ের প্রতিবেশীর সন্তানের (মেয়ে) সাথে প্রেম করতেসে। ওই মেয়ে নাকি আবার তাকে ঈদে পাঞ্জাবী গিফট করসে। শালা এই পাঞ্জাবী পরে ঘুরতেসে। মেয়েরে ডেকে জিজ্ঞেস করা হইসে, তুমি এই ছেলেরে চিনো?

– চিনি। সে আমার বন্ধু
– ওর নাম কি?
– দিপু
– তুমি তো ভুল জানো। হালার নাম দেবাশিষ
– ওহ শিট

জগদিশরে ডেকে আনসি। ওর সামনে ওর ছেলেরে ঘাড়াইতেসি। ওর হাত পা ভেঙে আজকে পঙ্গু কইরা ফেলবো। তুই শালা প্রতারণা কইরা ঈদ সালামি নেস। তোর এই কলিজা আমি বোতল দিয়া বাইরায়া ফাটায়া ফেলবো। কার বাড়িতে থাইকা এগুলা করস তুই ! ঈদের মোহ মোহ ভাবটাই নষ্ট করে দিলো শালা শূয়র !

ওর উপর মেজাজ খারাপ করে এলাকার এক প্রবীণ অভিনেতাকেও হুদাই রিকশা থেকে নামিয়ে আধাঘন্টা কুত্তাপিটানি পিটাইলাম। সব মাটি হয়ে গেলো, সব…

Comments

comments